Homeখেলাধুলাফাইনালে কখনোই হারেন না মার্টিনেজ, ‘ভাঙা আঙুল’ নিয়েও রেকর্ড অক্ষুণ্ন

ফাইনালে কখনোই হারেন না মার্টিনেজ, ‘ভাঙা আঙুল’ নিয়েও রেকর্ড অক্ষুণ্ন

সবমিলিয়ে ৩০ বছর এবং ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় ৪৪ বছরের শিরোপাখরা কাটিয়ে উয়েফা ইউরোপা লিগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে অ্যাস্টন ভিলা। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দলটি জার্মান ক্লাব ফ্রেইবুর্গকে ৩-০ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে। যেখানে ভাঙা আঙুল নিয়েও দলের জয়ে ভূমিকা রেখেছেন বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। এ নিয়ে নিজের খেলা সাতটি ফাইনালেই তিনি জয়ের শতভাগ রেকর্ড অক্ষুণ্ন রেখেছেন।

গতকাল (বুধবার) দিবাগত রাতে ইস্তাম্বুলের বেসিকতাস পার্কে ভিলার শিরোপা উৎসবে হাজির হয়েছিলেন ক্লাবটি পাড়ভক্ত যুক্তরাজ্যের প্রিন্স উইলিয়ামও। পছন্দের ক্লাবের স্মরণীয় জয়ে গ্যালারিতে উপস্থিত থেকে তিনি বুনো উদযাপন করেছেন, নেচেছেন, গেয়েছেন, হয়েছেন আবেগাপ্লুত। ইউরোপা লিগের ম্যাচটি খেলতে নামার আগে ওয়ার্মআপের সময় চোট পান ভিলার গোলরক্ষক মার্টিনেজ। যা তার মনোবল আরও বাড়িয়ে দেয়।

খেলা শেষে এই আলবিসেলেস্তে তারকা ইএসপিএনকে বলেন, ‘সত্যি বলতে এটা গর্বের বিষয়। আমি এখনও ম্যাচপ্রতি বেড়ে উঠছি (শিখছি)। এদিন যদিও ওয়ার্ম-আপের সময় আমার আঙুল ভেঙে যায় এবং খারাপ কিছুর মাঝেও ভালো বিষয় লুকিয়ে থাকে। জীবনভর এভাবেই এগিয়েছি এবং এগিয়ে যাব। এর আগে কখনও আঙুল ভাঙেনি। বল ধরতে গেলেই আঙুলটা অন্যদিকে সরে যাচ্ছিল। কিন্তু এসবের মধ্য দিয়েই যেতে হয়। অ্যাস্টন ভিলার জার্সি পরে খেলতে পারাটা আমার জন্য গর্বের।’

দিবু মার্টিনেজের আঙুলের চোট নিয়ে আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, ‘তার অস্বস্তি তেমন গুরুতর কিছু নয় এবং আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের সঙ্গে আসন্ন ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের জন্য তার প্রস্তুতিতে কোনো সমস্যা হবে না।’ আঙুলের ব্যথা সত্ত্বেও ভিলার হয়ে মার্টিনেজ পুরো ৯০ মিনিটই খেলেছেন। ক্লাবটির হয়ে নিজের প্রথম শিরোপা জয়ে প্রবল উচ্ছ্বাসে ভেসেছেন, কখনও কোচ উনাই এমেরি আবার সতীর্থ এমিলিয়ানো বুয়েন্দিয়াকে কাঁধে তুলে নেচেছেন, আবার গ্যালারিতে গিয়ে ভিলা সমর্থকদের সঙ্গে গায়ে গা মিলিয়ে গলা ফাটিয়েছেন।

আরও পড়ুন

অথচ ৩৩ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক অ্যাস্টন ভিলা ছাড়তে চাওয়া নিয়ে কম নাটক হয়নি। আগের মৌসুম শেষে তিনি বিদায়ের ইঙ্গিত দিয়ে সমর্থকদের উদ্দেশে হাত উঁচু করে অশ্রুসিক্ত হয়েছিলেন। তবে নানা জটিলতায় শেষ পর্যন্ত আর ঠিকানা পরিবর্তন হয়নি মার্টিনেজের। ভিলার সঙ্গে তার চুক্তির মেয়াদ ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত। যাকে নিজের পরিবার উল্লেখ করে মার্টিনেজ বলছেন, ‘সত্যি হচ্ছে…এই সমর্থক ও ক্লাব আমার পরিবারের মতো। সবসময়ই আমি গর্বের সঙ্গে খেলি এবং দলের গোলবার সামলাই। আমি (কোচ উনাই) এমেরিকে খুব ভালোবাসি, অনেক বছর ধরেই চিনি, সেই আর্সেনাল (সাবেক ক্লাব) থেকে। তিনিও আমার মতো একজন বিজয়ী, জয়ের জন্য মরিয়া থাকেন। এখন আমার বিশ্বকাপে মনোযোগ দেওয়ার সময়।’

RELATED ARTICLES

Most Popular

Recent Comments