ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে বাংলাদেশের একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) থাকা প্রয়োজন। বাংলাদেশের প্রতিবেশী ভিয়েতনাম ও ভারত ইতোমধ্যেই এ চুক্তি করেছে। ফলে বাজার ও বিনিয়োগ ধরে রাখতে বাংলাদেশেরও একই পথে যেতে হবে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাজধানীর গুলশানে ‘দেশের ব্যবসায়িক পরিবেশের উন্নয়ন ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় করণীয়’ শীর্ষক এক সংলাপে এসব কথা বলেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের (ইউরোচ্যাম) চেয়ারপারসন নুরিয়া লোপেজ।
নুরিয়া লোপেজ বলেন, বাংলাদেশ এখন স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের ক্রান্তিকালে রয়েছে। এ অবস্থায় ইইউর সঙ্গে অবশ্যই আমাদের একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি থাকতে হবে। কারণ, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজারে যদি মুক্তবাণিজ্য–সুবিধা না থাকে, তাহলে বিনিয়োগ বৃদ্ধির তেমন কোনো সুযোগ থাকবে না।
মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) ও পলিসি এক্সচেঞ্জ যৌথভাবে এ সংলাপের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি মো. মাহমুদ হাসান খান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন এমসিসিআই মহাসচিব ফারুক আহমেদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ। প্যানেল আলোচনায় বক্তব্য দেন ইউরোচ্যাম চেয়ারপারসন নূরিয়া লোপেজ, করপোরেট আইনজীবী মারগুব কবির অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের হেড অব চেম্বারস মারগুব কবির ও ইউনিলিভার বাংলাদেশের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) জিনিয়া হক।
রপ্তানির নতুন বাজার সম্প্রসারণে দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল, তুরস্কের মতো দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি করার পরামর্শ দেন বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান। তিনি বলেন, তৈরি পোশাক খাতে প্রায় আট বিলিয়ন ডলারের নতুন বাজার তৈরি হয়েছে।
মূল প্রবন্ধে মাসরুর রিয়াজ বলেন, নতুন সরকারের সামনে আগামী দুই বছরের কম সময়ে এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান তৈরির প্রতিশ্রুতি রয়েছে। এটা কেবল বিনিয়োগ বাড়ানোর মাধ্যমেই সম্ভব হবে।

