ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চলার সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতকে দখলদার ইসরায়েল তার আয়রন ডোম আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়েছে। জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন দূত মাইক ওয়াল্টজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এরআগে আমিরাতকে ইসরায়েলের আয়রন ডোম দেওয়ার কথা শোনা গেলেও; কেউ এটি স্বীকার করেনি।
তবে গতকাল সোমবার (১১ মে) মাইক ওয়াল্টজ প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে এটি জানিয়েছেন।
সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, আয়রন ডোম ব্যবহার করে ইরানের ছোড়া মিসাইল ভূপাতিত করেছে আমিরাত।
জাতিসংঘের ইসরায়েলি মিশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে মার্কিন দূত বলেন, “আমরা দেখেছি আমিরাত ইসরায়েলের দেওয়া আয়রন ডোম ব্যবহার করেছে।”
ইরানে গোপনে হামলা চালায় আমিরাত
দখলদার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ইরানে গোপনে হামলা চালায় সংযুক্ত আরব আমিরাত। এরমাধ্যমে একমাত্র দেশ হিসেবে মার্কিনি ও ইসরায়েলিদের সঙ্গে হাত মেলায় দেশটি।
স্থানীয় সময় সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে। আমিরাত এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে হামলার কথা স্বীকার করেনি।
ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল বলেছে, আমিরাতের হামলার মধ্যে ছিল ইরানের লাভান দ্বীপের একটি তেল শোধনাগার।
এই হামলাটি হয় এপ্রিলের শুরুর দিকে। তখন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হামলাটি যুদ্ধবিরতির আগে নাকি পরে হয়েছে সেটি স্পষ্ট করেনি সংবাদমাধ্যমটি।
তেল শোধনাগারটি হামলার পর ইরান জানিয়েছিল, অজ্ঞাত শত্রুরা তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে তারা কুয়েত ও আমিরাতে ব্যাপক মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালায়।
তেল শোধনাগারে আমিরাতের হামলা এত বড় ছিল যে সেটি বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়। আর ওই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ইরানের ভালো সময় লাগে।
যুক্তরাষ্ট্রের একটি সূত্র জানিয়েছেন, আমিরাত হামলা চালানোর পর ডোনাল ট্রাম্প বিষয়টিকে বেশ ইতিবাচক হিসেবে নেন। কারণ উপসাগরীয় অন্য আরব দেশগুলো তাদের সঙ্গে যোগ দিতে অস্বীকতি জানিয়েছিল।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

