শিশুদের দেশীয় লোকখেলার সঙ্গে পরিচয় করানোর মাধ্যমে সুস্থ সমাজ নির্মাণ করা সম্ভব হবে। আর সবাই জানে শিশুরাই আগামীর বাংলাদেশ। রাষ্ট্রকে সে দিকেই নজর দিতে হবে। প্রতিটি অভিভাবকদের উচিত হবে তাদের সন্তানকে বিভিন্ন লোকখেলায় অংশগ্রহণ করানো।
লোকখেলার পাশাপাশি শিশুদের রঙিন শৈশবের কল্পনার জগত বিস্তৃত হতে পারে বাংলা লোককাহিনির বিশাল ভাণ্ডারের সঙ্গে যদি তাদের জীবনের শুরুতেই পরিচয় হয়। নানী-দাদিরা একসময় বাচ্চাদের ঘুম পাড়ানোর সময় নানা ধরনের বীরকাহিনি, পরিকাহিনি, পশুকাহিনি, ভৌতিককাহিনি, শিকলিকাহিনি, পৌরাণিককাহিনি, বোকারকাহিনি ইত্যাদি বলতেন।
শিশুরা সেসব গল্প শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়তো, তারা চলে যেত কল্পনার বিস্তৃত জগতে। রাজপুত্র, রাজকন্যার বেশে ঘুরে বেড়ানো মেঘের দেশে, পাতাল রাজ্যে। রাজ্যজয়ের আত্মপ্রসাদ নিয়ে গভীর ঘুমে কখন যে তারা আচ্ছন্ন হয়ে যেত তা আর কারও খেয়াল থাকতো না।

